ড্রাগন ফ্রুট লাল, গোলাপি এবং হলুদ এবং সবুজ রঙের হয় এবং এর ভিতরে সাদা বা লাল অংশে থাকে কালো ছোট ছোট দানা। এর স্বাদ অনেকটা কিউই (Kiwi fruit) এবং নাশপাতির মত। এই ফল দেখতে খুবই আকর্ষণীয় ।
পুষ্টিগুণ
ড্রাগন ফ্রুটের খোসা ছাড়িয়ে সেটিকে কাটলে তার ভিতরে আপনি পাবেন পুষ্টির এক অমূল্য সঞ্চিত ধনভাণ্ডার । এতে আছে ভিটামিন এ, সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, প্রোটিন, শর্করা, ফাইবার (আঁশ) চিনি, ও ক্যালরি। যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো ।
ড্রাগন ফলের উপকারিতা
১। ড্রাগন ফলে আছে প্রোবায়োটিক্স যা আমাদের অন্ত্রে থাকা সাহায্যকারী ব্যক্টেরিয়াকে ভাল রাখে এবং অন্ত্রকে রাখে সুস্থ। এটা অন্ত্রে রোগ সৃষ্টিকারী ব্যক্টেরিয়াকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। খাদ্য পরিপাকেও ড্রাগন ফ্রুট সহায়তা করে।
২। ড্রাগন ফ্রুটে আছে প্রচুর ভিটামিন সি এবং অন্যান্য এন্টি অক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৩। এই ফল আমাদের আয়রনের চাহিদা পূরণ করে। শরীরে অক্সিজেনের প্রবাহ এবং শক্তি উৎপাদনে আয়রন বিশেষ জরুরি। ড্রাগন ফলে থাকা ভিটামিন সি আমাদের শরীরকে আয়রন গ্রহণে সাহায্য করে।
৪। এটা প্রাকৃতিকভাবেই ফ্যাট-ফ্রি এবং ফাইবার সম্পন্ন। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য ড্রাগন ফ্রুট খুবই উপকারি।
৫। ড্রাগন ফ্রুট রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমায়।
৬। রূপচর্চায়ও ড্রাগন ফ্রুট ব্যবহার করা হয়। প্রাচীনকালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নারীরা ড্রাগন ফ্রুটের শাঁস দিয়ে তৈরি পেস্ট মুখে ব্যবহার করত যা তাদের ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করত। এর পেস্ট ব্রণ এবং রোদে পোড়া দাগও দূর করে।
৭। ড্রাগন ফ্রুটে ফ্ল্যাভনয়েড, ফেনোলিক এসিড এবং বেটাসায়ানিন নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করে।


0 Comments